ম্যারাডোনার স্মৃতি, মেসির বর্তমান—শুরু হচ্ছে আর্জেন্টিনার নতুন যাত্রা
কানসাস সিটির একটা কিন্ডারগার্টেন স্কুলের দেয়াল। সাধারণত এখানে বাচ্চাদের আঁকা ছবি, বর্ণমালা, রঙিন প্রজাপতি ঝোলে। সেই দেয়ালে গত রোববার সকালে কেউ এঁটে দিয়ে গেছে আকাশি নীল-সাদা পতাকা, তিন তারার জার্সি, আর দুটো মুখ। একজন—যিনি ছিলেন, আরেকজন—যিনি আছেন। একজনের চুলে এখন রুপালির ছোঁয়া, অন্যজনের স্মৃতি এখনো সেই পতাকার সুতোয় বোনা। স্মৃতি আর বর্তমান। ম্যারাডোনা আর মেসি।
এই দুই নামের মাঝখানে কোথাও দাঁড়িয়ে আছে আর্জেন্টিনা ফুটবলের সমস্ত ইতিহাস, সমস্ত যন্ত্রণা, সমস্ত উৎসব।
বুধবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাতটায় আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে। প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া। ভেন্যু কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়াম, যেটির ধারণক্ষমতা ৭৬ হাজার। কিন্তু ম্যাচটা শুধু ভেন্যুতে আবদ্ধ নেই। ছড়িয়ে পড়েছে শহরের রেস্তোরাঁ পাড়ায়, রাস্তার মোড়ে মোড়ে, সেই দেয়ালে। আর তুলার ঢোলে!
তুলা মার্তিনেজ। ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ পুরস্কারে বিশ্বের সেরা সমর্থক হিসেবে স্বীকৃত হয়েছিলেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে চলে গেছেন অন্যলোকে। কিন্তু তাঁর ঢোল থামেনি। তুলার পরিবারের অনুরোধে আরেক সমর্থক গিলেরমো সেটি নিয়ে গেছেন কানসাস সিটিতে। বললেন, ‘১৯৭৪ সাল থেকে এই ঢোল প্রতিটি বিশ্বকাপে গেছে। এবারও থাকবে। সব সমর্থককে এক করবে।’
সমর্থকেরা আসলে এরই মধ্যে এক হয়ে গেছেন, পানীয়র গ্লাসে চুমুক দিতে দিতে স্বপ্ন দেখছেন। পরপর দুবার বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন।
No comments yet
Be the first to join the discussion.