sfldhgdsb ,xcvbjhmvmncxv xcvkmxcv
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশীয় উৎস কিংবা বিদেশি উৎস, যেভাবে হোক না কেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের অতিরিক্ত ঋণ নির্ভরতা দেশের ওপর বোঝা সৃষ্টি করতে পারে। সরকার যেই উৎস থেকেই ঋণ নেয় না কেন, বস্তুতপক্ষে তাতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। আগামী বাজেটেও বড় একটি অংশই ওই ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় করতে হবে। এক্ষেত্রে যদি নতুন টাকা ছাপিয়েও সরকার ঋণ পরিশোধ বা ঘাটতি মেটাতে চায়, সেটিও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পথে বাঁধাগ্রস্ত হতে পারে।
এ বিষয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ ঝুঁকি বিবেচনায় আগে আমরা নিম্ন ঝুঁকির দেশ ছিলাম। এখন সেটি মাঝারি ঝুঁকিতে চলে এসেছি। এই ঋণের পরিমাণ যত বাড়বে, আমাদের ঝুঁকিও তত বাড়বে। তাই, এদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। ঋণ নেওয়া খারাপ নয়, তবে দেখতে হবে যে ঋণটি আমরা উৎপাদন খাতে কতটা কাজে লাগাতে পারছি। ঋণের অর্থ দিয়ে আমাদের কী পরিমাণ অবকাঠামো উন্নয়ন হচ্ছে কিংবা কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হচ্ছে কী পরিমাণ? এগুলোর মূল্যায়ন করতে হবে। পাশাপাশি ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা আমাদের আছে কিনা? এগুলো ঠিক থাকলে ঋণ নেওয়া যেতে পারে।
No comments yet
Be the first to join the discussion.